Wednesday, June 17, 2015

পবিত্র রমজান শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার


২০১৫ খ্রিস্টাব্দ সনের রমজান মাস শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার হতে(১৯.০৬.২০১৫ খ্রিঃ)। আজ চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সারা বাংলাদেশের কোন স্থান স্থান হতে মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে বলে জানা যায়নি। ১৭ সদস্যের কমিটি জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ধর্ম ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাহে রমজানে বেশি বেশি আমল করার তওফিক দান করুন এবং মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করুন। আমিন।

Tuesday, June 16, 2015

আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে কি হয়?

আমাদের বাঙ্গালী সমাজের বহু পুরাতন একটি মতবাদ হচ্ছে আনারস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। অনেকেই বলেন, আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে নাকি পেট খারাপ হয় এবং বিষক্রিয়া হয়।  এতে মানুষের মৃত্যু হওার মত ঘটনাও আমাদের সমাজে শোনা যায় অহরহ। এছাড়াও এসব নিয়ে নানা ধরনের গ্রামীণ রুপকথা পর্যন্ত প্রচলিত রয়েছে। এমন ও বলা আছে, আনারস গাছের গোঁড়ায় থাকে সাপ। আর সাপ দুধ পছন্দ করে। কাজেই আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে সাপের বিষ আনারসে আসে এবং মানুষ মারা যায়।
কথা হচ্ছে এইসব ধারনার ভিত্তি কি? বিজ্ঞান এই ব্যাপারে কি বলে?


প্রশ্নঃ আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে কি হয়?
উত্তরঃ বিজ্ঞান বলছে আনারস এ আছে সাইট্রিক এসিড। একটি পরিপক্ক আনারস এ প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত সাইট্রিক এসিড থাকতে পারে। অপরদিকে, দুধ হচ্ছে ক্ষারীয় পদার্থ।
ফলে আনারস এবং দুধ পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ। আপনি যখন আনারস এবং দুধ একসঙ্গে খান তখন কি হয়? বিজ্ঞান বলছে আপনার কিছুই হবেনা। আপনি শুধু আনারস বা শুধু দুধ খেলে যদি কিছু না হয় তবে দুইটি একসঙ্গে খেলেও কিছুই হবেনা।কারন কি?
কারন হচ্ছে আমাদের পাকস্থলি। আমাদের পাকস্থলির পরিবেশ এমনিতেই এসিডীয়। কাজেই আপনি যদি দুধ(ক্ষারীয়) খান তবে যদি আপনার পাকস্থলি আপনাকে বিড়ম্বনায় না ফেলে তবে কেন এসিডীয় আনারস এবং ক্ষারীয় দুধ খেলে আপনার সমস্যা হবে।
কাজেই বিজ্ঞান বলছে, আনারস এবং দুধ একসঙ্গে খেলে কিছুই হয়না যদিনা আপনার এলার্জিক সমস্যা থাকে।

ধনে পাতা ঃ সকল কাজের কাজি

ধনে পাতা।বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে খাবার সুস্বাদু ও রুচিদায়ক করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। বহুল প্রচলিত ও সমাদৃত এ ছোট গাছটি মূলত শীতকালীন হলেও বর্তমানে প্রায় সারা বছরই কম-বেশি বাজার এ পাওয়া যায়। অনেকেই শখের বশেও বসত বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে লাগিয়ে থাকেন।
 আমরা প্রায় সবাই এ সবজিটির সাথে পরিচিত হলেও খুব কম মানুষই এর উপকার সম্পর্কে জানি। বহু খাদ্য গুনে সমৃদ্ধ এ সবজিটি আমাদের যেসব উপকার করে আসুন তা জেনে নেই চটজলদি করে-

  • ধনে পাতা হজমে সাহায্য করে এবং বদহজম রোধ করে।
  • ধনে পাতা লৌহ এর ভাল উৎস। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ করতে সহায়তা করে।
  • অন্ত্রে গ্যাস সৃষ্টিকে বাধা দেয়।
  • ভিটামিন এ, সি, ফসফরাস অ ক্লোরিন এর ভাল উৎস।
  • ক্ষতিকর চর্বি কমাতে সহায়তা করে।
  • বাতরোগ হতে মুক্ত রাখে।


Friday, June 12, 2015

জেনে নিন পুদিনা পাতার গুনাগুন

পুদিনা পাতা। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এটির প্রচলন রয়েছে।রান্না-বান্না, সালাদ সহ ঔষধি গুন সম্পন্ন এ বিরুৎ প্রজাতির উদ্ভিদটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিবার রোজার সময় এর চাহিদা বেরে জায় অনেক। অনেকেই বল্কারক হিসেবে এর জুস ও পান করে থাকেন।

তো জেনে নিন এই উদ্ভিতটির গুনাগুন--

  • পুদিনার রস বলকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসচে সুদীর্ঘকাল ধরে।
  • সর্দি-কাশি সহ সিজনাল এলার্জি নিরাময়ে পুদিনার গুনাগুন সর্বস্বীকৃত।
  • পুদিনা তে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেণ্ট। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • পুদিনা পাতা খাবারে স্স্বাদ ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় মিনারেল এর যোগান দেয়।